Posted by:
on জুন 09, 2010
Tagged in: Untagged
চাকরীর জন্য প্রয়েআজনীয় ওয়েব সাইট সমূহ
http://www.bdjobs.com
http://www.jobsbd.com
http://www.prothom-alojobs.com
www.bangladeshdir.com/search/jobs_in_bangladesh.html
www.alljobsbd.com
Posted by: admin
on জুন 06, 2010
Tagged in: Untagged
শহরে ক্রমশই মানুষ বাড়ছে। একইভাবে শিশু কিশোরের সংখ্যাও বাড়ছে। কিন্তু শহরে শিশুদের বিনোদনের জন্য কোন ব্যবস্থাই নাই। নেই কোন পার্কের সুযোগ সুবিধা। শিশু পার্ক না থাকায় ভাগ্যবিড়ম্বিত শিশুরা পারিবারিক গন্ডিতে একগুয়ো পরিবেশের মধ্যে বেড়ে উঠছে। শিশুদের বিনোদনের জন্য শিশু পার্ক নির্মান বা বিকল্প কোন ব্যবস্থা করার জন্য পৌর কর্তৃপৰের ন্যুনতম কোন আগ্রহ আছে বলে মনে হয় না। অথচ শিশুদের অবহলো করার অর্থ হলো জাতির আগামী দিনের ভবিষ্যতকে নিয়ে ছিনিমিনি খেলার শামিল। একটি সুখী সমৃদ্ধ জাতি গঠনের জন্য শিশুদের কথা অবশ্যই গুর্বত্ব সহকারে ভাবতে হবে। শহরে দক্ষিণ প্রান্তে একটি পার্ক থাকলেও একে শিশু পার্ক বলা যায় না। আবার এ পার্কের প্রায় অর্ধাংশ জুড়ে গড়ে উঠেছে সরকারী কর্মকর্তাদের খেলা জন্য টেনিস কোর্ট। তাই শহরের বিপুল সংখ্যক শিশুদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে পৌর কর্তৃপৰকে কালবিলম্ব না করে একটি আধুনিক শিশু পার্ক নির্মানের উদ্যোগ নেওয়া জর্বরী হয়ে পড়েছে।
Posted by: admin
on মে 12, 2010
Tagged in: Untagged
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মান্নান প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি নিজেও ঘটনাস্থলে গিয়ে মাটি ভরাটের বিষয়টি দেখে এসেছি। আমার কাছে মনে হয়েছে, ওই এলাকার অর্ধেক নদী ভরাট হয়ে গেছে। এভাবে কেউ নদী দখল করতে পারে, ভাবাই যায় না।’ আজ বুধবার প্রধানমন্ত্রী আশুগঞ্জ আসছেন। এ সফরের পরই এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। আশুগঞ্জ সার কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক উসমান গনি প্রথম আলোকে বলেন, সার কারখানার কাছে নদীর তীরে এর আগে একটি সিমেন্ট কারখানা স্থাপনের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত প্রশাসনের হস্তক্ষেপে সেটি বন্ধ হয়। এখন আবার প্লাস্টিক কারখানা তৈরির চেষ্টা চলছে। এভাবে হয় না। একটি বিষয় মনে রাখতে হবে, আশুগঞ্জ সার কারখানা সরকারের বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা (কেপিআই)। সার কারখানার পাশে নদী ভরাট করে এভাবে কোনো প্লাস্টিক কারখানা করলে সার উৎপাদন চরম ঝুঁকির মুখে পড়বে।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, নির্মাণাধীন ওই কারখানার কাজ বন্ধ রাখার অনুরোধ জানিয়ে এরই মধ্যে সার কারখানা, জেলা প্রশাসন ও শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে একাধিকবার অনুরোধ জানানো হয়েছে। কিন্তু মাটি ভরাটের কাজ চলছেই।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, নিউ এশিয়া সিনথেটিক লিমিটেড প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেজর (অব.) এ মতিন চৌধুরী। তিনি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাংসদ লুত্ফুল হাইয়ের ভায়রা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে লুত্ফুল হাই গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি ওই প্রতিষ্ঠানের কেউ না। তবে যারা করছে তারা আমার আত্মীয় ও ঘনিষ্ঠ। আমিই তাদের বলেছি, আমার এলাকায় আসেন। শিল্পকারখানা করেন। এতে মানুষজন চাকরি পাবে। কিন্তু অনেকেই চায় না লোকজন চাকরি পাক। তারা নানা ঝামেলা করছে।’ সরকারি জমি ও নদী দখল করে কেন কারখানা হচ্ছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কারখানার জন্য ওই জায়গা কেনা হয়েছে, দখল হচ্ছে না।’ নদীর জায়গা তো সরকারের, এটি কীভাবে কেনা যায় জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘জেলা প্রশাসনসহ সরকারের যেসব কর্মকর্তা এসব বলছেন, তাঁরা দেশের ভালো চান না। আর যদি কোনো জায়গা ভরাট হয়ে থাকে, সেটি ছেড়ে দেওয়ার জন্য বলা হবে।’
উদ্বিগ্ন সার কারখানা কর্তৃপক্ষ: আশুগঞ্জ সার কারখানা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, নিউ এশিয়া সিনথেটিক লিমিটেড ২০০৯ সালের ৩ সেপ্টেম্বর সার কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে ওই জায়গায় কারখানা নির্মাণের জন্য অনাপত্তি সনদ চেয়ে আবেদন করে। জবাবে ২০০৯ সালেরই ২২ অক্টোবর সার কারখানার পক্ষ থেকে জানানো হয়, এখানে কোনোভাবেই প্লাস্টিক কারখানা হতে পারে না। এটি হলে সার কারখানা ঝুঁকির মুখে পড়বে।
কিন্তু এই অনাপত্তির পরও মাস দুয়েক আগে নিউ এশিয়া সিনথেটিক লিমিটেড স্থানীয় ঠিকাদার মেসার্স মজনু ট্রেডার্সকে দিয়ে সার কারখানা লাগোয়া মেঘনা নদীর তীরে মাটি ভরাটের কাজ শুরু করে।
এ ঘটনার পর ২৯ মার্চ সার কারখানার পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসককে চিঠি দিয়ে প্রতিকার চাওয়া হয়।
আশুগঞ্জ সার কারখানার মহাব্যবস্থাপক (কারিগরি) সুভাষ চন্দ্র সাহা বলেন, কারখানার পাশে নদী দখল করে মাটি ভরাটের কারণে কয়েক দিন ধরে পানি ঘোলা হয়ে যাচ্ছে। পানিতে এঁটেলজাতীয় পদার্থ দেখা যাচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে যেসব পাইপ দিয়ে পানি আসে সেগুলো বন্ধ হয়ে যাবে। এমনিতেই মাটি ভরাটের কারণে কয়েক দিন ধরে ধীরে ধীরে উৎপাদনও কমছে। ৯ মে এক হাজার ৩০১ মেট্রিক টন সার হয়েছে, পরদিন তা কমে এক হাজার ২৮০ টনে নেমেছে।
উদ্বিগ্ন জেলা প্রশাসনও: আশুগঞ্জের ভূমি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নদীর তীরের প্রায় আট একর জমি এরই মধ্যে ভরাট হয়ে গেছে। এর মধ্যে সাড়ে তিন বিঘা খাসজমি রয়েছে। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ২৯ মার্চ খাসজমি এবং নদীর ওপর মাটি ভরাট থেকে বিরত থাকতে মেসার্স মজনু ট্রেডার্সকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি নোটিশ দেওয়া হয়। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মনিরা বেগম ওই নোটিশ দেন।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মনিরা বেগম প্রথম আলোকে জানান, ‘কাজ করার আগে প্রস্তাবিত পলিয়েস্টার প্লান্টের পক্ষ থেকে আমাদের সঙ্গে কেউ যোগাযোগ কিংবা অনুমতি নেওয়ারও প্রয়োজন বোধ করেনি। মাটি ভরাট কাজ শুরুর কথা জেনে ইউএনও স্যার ও আমি আমাদের জরিপকার নিয়ে জায়গা পরিমাপ করে দেখি, প্রতিষ্ঠানটি সরকারের খাসজমি বালু দিয়ে ভরাট করে ফেলেছে। এ অবস্থায় ভরাট বন্ধ করতে প্রথমে ২৯ মার্চ ও পরে ১৩ এপ্রিল দুই দফা নোটিশ দিয়েছি। কিন্তু তারা আমাদের নোটিশের লিখিত জবাব না দিয়ে মৌখিকভাবে বালু সরিয়ে নেওয়ার কথা বলেছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এখনো খাসজমি ভরাট করে চলছে।’
প্লাস্টিক কারখানার বক্তব্য: প্লাস্টিক কারখানার হয়ে ওই এলাকায় ভরাটের কাজ করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স মজনু ট্রেডার্স। প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারীদের একজন আরিফুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, মাটি ভরাট বন্ধের জন্য ভূমি অফিসের নোটিশ পেয়েছেন। তবে সেখানে সামান্যতম খাসভূমি নেই।
নিউ এশিয়া সিনথেটিক লিমিটেডের পলিয়েস্টার প্লান্ট নির্মাণ প্রকল্পের পরিচালক আরশাদ আমিন বলেন, ‘আমরা স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেছি। আমাদের ও তাদের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে জমি মেপে সীমানা নির্ধারণের অনুরোধ করেছি। আশা করছি, দ্রুত এটি করা সম্ভব হবে।’
নিউ এশিয়া সিনথেটিক লিমিটেডের মালিক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ মতিন চৌধুরী বলেন, প্লাস্টিক কারখানা করার জন্য জিয়া সারখানার কাছে অনাপত্তি চাওয়াটাই ভুল হয়েছে। তাদের কাছ থেকে অনুমতি নেওয়ার কিছু নেই। আর প্লাস্টিক কারখানার কারণে পরিবেশও দূষিত হবে না। নদী ভরাটের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘প্রশাসনের সঙ্গে আমরা বসব। প্রশাসন যদি বলে নদী ভরাট হয়েছে, তাহলে আমরা দখলমুক্ত করব।’
এলাকাবাসী জানান, এভাবে নদী ভরাটের কারণে নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের তিনটি গ্রাম বিলীন হয়ে যাবে। মুছাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল বলেন, মাঝনদী পর্যন্ত দখল হয়ে যাওয়ার কারণে নদীর স্রোত স্বাভাবিক পথে প্রবাহিত হতে না পারায় আঘাত করবে ভৈরব বাজারসহ তার ইউনিয়নের তিনটি গ্রামে।
http://www.prothom-alo.com/detail/date/2010-05-12/news/62754
Posted by: admin
on এপ্রিল 23, 2010
Tagged in: Untagged
দৈনিক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ছোট্ট একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে যে, জেলা সদর হাসপাতালের প্রধান গেটের দৰিণ পাশেই বড় একটি গর্ত। দৰিণ পাশে ড্রেনের উপরের সৱাবটি বালিভর্তি ট্রাক প্রায় ৩ মাস আগে ভেঙ্গে ফেলে। এর পর থেকে অদ্যাবধি গুর্বত্বপূর্ণ এ স্থানটিতে সৱ্যাব না থাকা খুবই দুঃখজনক। জেলা সদর হাসপাতালের প্রধান গেটের সামনে সব সময়ই জন সমাগম থাকে। প্রতিদিন সকালবেলা রোগী দর্শনার্থীসহ প্রায় সহস্রাধিক মানুষ এ গেইট দিয়ে হুড়োহুড়ি করে প্রবেশ করে। এ সময় পড়ে গিয়ে দুর্ঘটনা কবলিত হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। তাই গুর্বত্বের কথা বিবেচনা করেই হাসপাতালের প্রধান গেটের দৰিণ পাশের সৱ্যাবটি পুনঃস্থাপন জর্বরী। হাসপাতালের প্রধান গেটের পাশে ড্রেনের উপর সৱ্যাব শূন্য থাকাটা পৌর সভার সংশিৱষ্ট কর্মচারীদের দৃষ্টিগোচর না হওয়ার বিষয়টিও দুঃখজনক। গুর্বত্বপূর্ণ স্থানে দীর্ঘদিন ধরে সৱ্যাব না থাকা পৌর কর্মচারীদের দায়িত্ব অবহেলারই বহিঃপ্রকাশ। পৌর কর্তৃপৰ গুর্বত্বপূর্ণ স্থানটিতে অনতিবিলম্বে সৱ্যাব পুনঃস্থাপনের ব্যবস্থা করবেন আশা করি।
Posted by: aronnokhayesh
on মার্চ 24, 2010
Tagged in: Untagged
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় দৈনিক, সাপ্তাহিক মাসিক ৫০টি পত্রিকা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় দৈনিক, সাপ্তাহিক, পাক্ষিক, মাসিক মিলিয়ে মোট ৫০টি পত্রিকার ডিক্লারেশন রয়েছে। পত্রিকা সামূহের মধ্যে দৈনিক ১৪টি, ২৬টি সাপ্তাহিক, ১টি অর্ধ সাপ্তাহিক, ৯টি মাসিক পত্রিকা রয়েছে। আরো বেশ কিছু পত্রিকার আবেদন স্থানীয় জেলা প্রশাসনে আছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার দৈনিক পত্রিকা গুলো হলো দৈনিক ব্রাহ্মণবাড়িয়া, দৈনিক সমতট বার্তা, দৈনিক আজকের হালচাল, দৈনিক আল হাবিব, দৈনিক প্রজাবন্ধু, দৈনিক দিন দর্পণ, দৈনিক কুর্বলিয়া, দৈনিক চলার পথে, দৈনিক ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিদিন, দৈনিক আমার জেলা, দৈনিক একুশে আলো, দৈনিক সহযাত্রী, দৈনিক ফ্রন্টিয়ার (ইংরেজী)। সাপ্তাহিক পত্রিকা গুলোর মধ্যে রয়েছে সপ্তাহিক তিতাস, দেশদর্পন, প্রতিচ্ছবি, সংকেত, মা, সাকিয়াত, আগ্নিবানী পূর্বদেশবার্তা, তিতাস বানী, সাপ্তাহিক নাছিরনগর, সাপ্তাহিক আশুগঞ্জ সংবাদ, তিতাসের খবর, বাঞ্চারামপুর সংবাদ, পরগনা, ইশরাক, নতুন মাত্রা, ইষ্টার্ন মিডিয়া (বাংলা) সাপ্তাহিক ভিউ কলমের কথা, প্রতাপ, প্রতিচ্ছবি, আগামীর খবর, আমাদের কথা গতিপথ, অগ্রধাপ, তিতাসের কাগজ। অর্ধ সাপ্তাহিক পেন ব্রীজ, পাক্ষিক, বেলা শেষে সকালের সূর্য্য, বাতায়ন, বাঞ্চারামপুর বার্তা, অপরাধ পত্র, রাহবার, জাতির আলো, আখাউড়া সংবাদ, তিতাস বার্তা।
তবে আশ্চর্য়ের বিষয় হল এত গুলো পত্রিকা থাকা সত্তেও কোন মান সম্মত পত্রিকা কেউ করার সাহস করে না বা করতে পারছেনা। না করার একটা বিশেষ কারণ ও আছে, তা হল আর্থিক সচ্ছলতা। আর তাই আমাদের দরকার বড় বড় ডোনার যারা আথির্ক সহায়তা প্রদান করে ভাল এবং মানস্পন্ন পত্রিকা প্রকাশে সহায়তা করবে। আশা করি এলাকার তথা সমাজের উন্নয়নের জন্যই মানস্পন্ন পত্রিকার আগমন হবে।
Posted by: admin
on মার্চ 12, 2010
Tagged in: Untagged
ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মার্চ ৫, রেডটাইমস বিডি ডটকম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দরে গত বৃহস্পতিবার ঘটে যাওয়া লঙ্কাকান্ডের ঘটনায় এক ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৮ জনের নাম উল্লেখ করে ৬৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবারের ঘটনায় ব্যবসায়ীদের পে আখাউড়া স্থলবন্দর আমদানি-রফতানিকারক এসোসিয়েশনের সভাপতি সফিকুল ইসলামের দায়ের করা অভিযোগটি শুক্রবার মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়। মামলায় মোগড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নান্নু মিয়াসহ ৮জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৬০জনকে আসামী করা হয়েছে। মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, মোগড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নান্নু মিয়া ব্যবসায়ীদের কাছে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। ব্যবসায়ীরা টাকা না দিলে তার লোকজন গত বৃহস্পতিবার সকালে স্থলবন্দরে গাড়ি ভাংচুর করে। এ ব্যাপারে মোগড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নান্নু মিয়া রেডটাইমস বিডি ডটকমকে বলেন, কী কারনে আমার বিরুদ্ধে মামলা হবে আমি বুঝতে পারছিনা। বিষয়টি মিমাংসার চেষ্টা হচ্ছে বলে তিনি জানান।
আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাম্মাদ হোসেন রেডটাইমস বিডি ডটকমকে বলেন, মামলা রেকর্ড হয়েছে। আমরা তদন্ত করছি। পাশাপাশি আসামীদের গ্রেপ্তারের জোর চেষ্টা চলছে।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার সকালে আখাউড়া স্থলবন্দরে মোগড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য রাজ্জাক মিয়াকে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় ব্যবসায়ী ও গ্রামবাসী বিবাদে জড়িয়ে পড়ে। তাদের মধ্যে ধাওয়া- পাল্টা ধাওয়ার ঘটনাও ঘটে।
http://www.redtimesbd.com/details.php?cat=37&id=12242