Posted by: admin
on জুন 17, 2010
Tagged in: Untagged
সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আবার বাংলাদেশে সোনালি আঁশ পাটের সোনালি দিন ফিরে আসবে। কারণ, 'সোনালি আঁশ'-এর জন্মরহস্য আবিষ্কার করেছে বাংলাদেশ। এর ফলে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বৈরী আবহাওয়ায়ও পাট বেড়ে উঠতে সক্ষম হবে।
গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাটের জীবন রহস্য আবিষ্কারের ঘোষণা দেন।
তবে এ ঘোষণার আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কক্সবাজারে ভূমিধসের ঘটনায় শোক প্রকাশ করে বলেন, 'এই ভূমিধস আমাদের কাম্য নয়।' শোক প্রকাশের পরই তিনি বলেন, 'এই খারাপ সংবাদের পরই আজ সংসদে আমি একটি শুভ সংবাদ শোনাব, যা আমাদের মধ্যে আনন্দ বয়ে আনবে।'
প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমি এই সংসদে ঘোষণা দিচ্ছি, আমি আনন্দের সঙ্গে পরিবেশন করতে যাচ্ছি, যা আমাদের জন্য অত্যন্ত সম্মানের। আমরা জানতে সক্ষম হয়েছি পাটের জন্মরহস্য বা জেনম সিকোয়েন্স (ডিএনএ কাঠামো) উন্মোচন করতে।'
শেখ হাসিনা বলেন, এই আবিষ্কারের ফলে বাংলাদেশ বিশ্বের গুটিকয়েক দেশের কাতারে নাম লেখাল। উন্নয়নশীল দেশের মধ্যে মালয়েশিয়ার পর বাংলাদেশই দ্বিতীয় দেশ, যারা জেনম সিকোয়েন্সিং করতে সক্ষম হয়েছে।'
প্রধানমন্ত্রী জানান, ড. মাকসুদুল আলমের নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়ো-কেমিস্ট্রি ও বায়ো-টেকনোলজির একদল তরুণ গবেষক ছাড়াও ডাটা সফট বাংলাদেশ লিমিটেড এর সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল। শেখ হাসিনা আরো জানান, এই আবিষ্কারে যুক্তরাষ্ট্র ও মালয়েশিয়ার দুটি বিশ্ববিদ্যালয় সহযোগিতা দিয়েছে। এর আগে ড. মাকসুদুল আলম আমেরিকায় পেঁপে এবং মালয়েশিয়ার রাবার গাছের ডিএনএ কোড উন্মোচন বা জেনম সিকোয়েন্সিং করেছেন।
সোনালি আঁশের জন্মরহস্য উদ্ঘাটনে গোপনীয়তা রক্ষা করা হয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আমিই প্রথম আজ সংসদে এ ঘোষণা দিলাম। এর ইন্টেলেকচুয়াল রাইট যেন বাংলাদেশের থাকে, সেজন্য আমাদের ত্বরিত ব্যবস্থা নিতে হবে।
দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী বুধবার প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব ছিল। অধিবেশনের শুরুতেই ডেপুটি স্পিকার শওকত আলী জানান, প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপন হয়েছে। এর পরই বাজেটের ওপর আলোচনায় যাচ্ছিলেন শওকত আলী। এ সময় শেখ হাসিনা নিজেই দাঁড়িয়ে বক্তব্য দিতে শুরু করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাটের জন্মরহস্য পাটের আঁশকে উন্নত করতে সক্ষম হবে। আমরা পাটের হৃত গৌরব পুনরুদ্ধারে সক্ষম হব। এটা অর্থনীতিতে বিশাল অবদান রাখবে।
শেখ হাসিনা আরো বলেন, এখন জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট বৈরী আবহাওয়ায় পাট বেড়ে উঠতে সক্ষম হবে। উৎপাদন বাড়বে, যা আমাদের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আমি বিজ্ঞানী নই। বিজ্ঞানীরা এর ব্যাখ্যা দিতে পারবেন। এতে করে আমরা সোনালি আঁশকে সত্যিকারের সোনালি আঁশে পরিণত করতে সক্ষম হব।
এই আবিষ্কারের সঙ্গে যাঁরা যুক্ত ছিলেন, তাঁদের সবাইকে দেশ ও জনগণের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী আন্তরিক অভিনন্দন জানান। তিনি এ জন্য কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীকে বিশেষ অভিনন্দন জানান।
বক্তব্যের শেষ দিকে উপস্থিত সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়ে যখন অভিনন্দন জানাচ্ছিলেন, তখন প্রধানমন্ত্রী আবার বলেন, বাংলাদেশ জেনম সিকোয়ন্সিং উন্মোচন করেছে।
অধিবেশনে সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপনেতা সাজেদা চৌধুরী, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, বাণিজ্যমন্ত্রী ফারুক খান, জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ প্রমুখ। গতকাল সংসদে ফেরেনি বিএনপি নেতৃত্বাধীন বিরোধী দল। এই নিয়ে টানা ১০ কার্যদিবসের মতো বিরোধী দল ছাড়াই চলছে এ অধিবেশনের কার্যক্রম।
অধিবেশনের শুরুতে প্রশ্নোত্তর পর্বের লিখিত প্রশ্নোত্তর স্পিকারের টেবিলে উত্থাপন করা হয়। পরে পর্যটন বোর্ড প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে আনা বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ড বিল-২০১০ সংসদে উত্থাপন করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী জি এম কাদের। বিলটি পরীক্ষার জন্য বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানোর জন্য গৃহীত হয়। এর পরই আগামী ২০১০-১১ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনা শুরু হয়। কার্য উপদেষ্টা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাজেটের ওপর সর্বমোট ৪০ ঘণ্টা আলোচনা হবে। ৩০ জুন বাজেট পাস হবে।
Posted by: admin
on মে 28, 2010
Tagged in: Untagged
ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ২১ মার্চ, রেডটাইমস বিডি ডটকম: ষ্ট্রবেরি চাষ করে শুরুতেই বাজিমাত করে দিলেন আখাউড়া উপজেলার দক্ষিণ ইউনিয়নের হীরাপুর গ্রামের মো: ইসমাইল ভূঁইয়া। ষ্ট্রবেরি চাষে এখন দিনবদলের স্বপ্ন দেখছেন তিনি। ইসমাইল রেডটাইমস বিডি ডটকমকে জানান, পত্রিকা পড়ে তিনি এই লাভজনক ফলের প্রতি আকৃষ্ট হন। কোন রকম প্রশিক্ষণ ছাড়াই শুরু করেন চাষ। এ পর্যন্ত ৬০ হাজার টাকার বেশি ষ্ট্রবেরি তাঁর জমি থেকে বিক্রি হয়েছে। জেলা, উপজেলাসহ ঢাকায় ষ্ট্রবেরি পাঠানো হচ্ছে। সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ষ্ট্রবেরি বাগানের চার পাশে বেড়া দেওয়া হয়েছে বাঁশ ও কাঁটাযুক্ত চিকন গাছ দিয়ে। ষ্ট্রবেরি গাছ দেখতে মূলত আলু গাছের আকৃতির মত। পাতাগুলো গোল ও চওড়া। সারিবদ্ধভাবে গাছ লাগানো হয়েছে। পাখির যন্ত্রণা থেকে বাঁচতে গাছের ওপরে জাল দেওয়া আছে। ইসমাইলের বাড়ির পাশেই প্রায় ১ বিঘা জমিতে এই স্ট্রবেরি বাগান। ইসমাইল জানান, শীত প্রধান দেশের ফল হওয়ায় সেপ্টেম্বর / অক্টোবর মাসে মূলত লাগাতে হয়। লাগানোর ৩ মাস বয়সেই ফল দেওয়া শরু করে এক একটি গাছে ৩৫/৪০টি ফল উপহার দেয়। পাকা অবস্থায় দেখতে লাল রং এর হয়। দৃষ্টি নন্দন এ ফল দেখতে প্রতিদিন উপজেলার বিভিন্নস্থান থেকে লোকজন তার বাড়িতে ভিড় জমায়। এ বাগান থেকে এ পর্যন্ত তিনি প্রায় ৬০ কেজি স্ট্রবেরি বিক্রি করেছেন। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার টাকায়। ইসমাইল ভূঁইয়া বলেন, উৎপাদন খরচ ও পরিশ্রমের তুলনায় ষ্ট্রবেরির চাষ খুবই লাভজনক। স্ট্রবেরি সরবরাহ করো হচ্ছে উপজেলার বিভিন্ন বাজারে । তিনি জানান, ২ বিঘা জমিতে ষ্ট্রবেরি চাষ করতে প্রায় ১ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে। এ পর্যন্ত ৬০ হাজার টাকার ওপর বিক্রি হয়েছে। তিনি আশা করেন, এ মৌসুমে প্রায় ৩ লাখ টাকা বিক্রি করতে করতে পারবেন। তিনি আরো জানান , গত বছরের অক্টোবরের শেষ দিকে রাজশাহী থেকে প্রতি গাছ খরচসহ ২৬ টাকা করে ২ হাজার চারা ক্রয় করে আনেন। আবহাওয়া ও পরিচর্যা ভাল থাকায় ষ্ট্রবেরি বাগানের একটি গাছও নষ্ট হয়নি। একবার ষ্ট্রবেরি চারা লাগানো হলে আর লাগাতে হয় না। কারন এ গাছে রয়েছে অসংখ্য শাখা প্রশাখা। এটা মুলত মৌসূমী ফল। শীতকালেই এ চাষ হয়ে থাকে। তাই শীতকাল শেষ হলে গ্রীণহাউজ করে শাখা প্রশাখাগুলো রেখে দিলে দ্বিতীয় বার আর চারা ক্রয় করতে হয় না।
রেডটাইমস বিডি ডটকম/ প্রতিনিধি/ ই এইচ/ আই এইচ
Posted by: admin
on এপ্রিল 05, 2010
Tagged in: Untagged
দেশের সার পরিস্থিতি
১। সার ব্যবস্থাপনা
♦ সারের মূল্য ও সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও সার্বিক সমন্বয় সাধনের জন্য মাননীয় শিক্ষা উপদেষ্টাকে আহবায়ক করে, মাননীয় কৃষি উপদেষ্টা এবং মাননীয় শিল্প উপদেষ্টার সমন্বয়ে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠণ করা হয়েছে। এ কমিটি সকল প্রকার সারের উৎপাদন, আমদানি, চাহিদা ও মূল্যপরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং সরবরাহ ব্যবস্থাপনা পর্যালোচনা পূর্বক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করে।
♦ জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটি সারের মূল্য ও সরবরাহ পরিস্থিতি, ডিলার নিয়োগ, সারের আগমনী নিশ্চিতকরণ, গুদাম পর্যবেক্ষণ ও সারের খুচরা মূল্য নির্ধারণ সহ জেলার সার্বিক সার ব্যবস্থাপনা তদারকি করে।
♦ কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তর বৎসরের শুরুতে সারা দেশে সারের মাস ও উপজেলাভিত্তিক চাহিদা নিরুপন করে। বিসিআইসি উক্ত চাহিদা মোতাবেক আমদানি ও উৎপাদন পরিকল্পনা গ্রহণ করে।
২। গত তিন বছরের রাসায়নিক সারের সরবরাহ এবং ২০০৭-০৮ অর্থ বছরের অনুমিত চাহিদা (লক্ষ মে. টন)
প্রকৃত সরবরাহ
২০০৪-০৫ ২০০৫-০৬ ২০০৬-০৭ ২০০৭-০৮ (অনুমিত চাহিদা)
(ক) ইউরিয়া ২৫.২৩ ২৪.৬১ ২৫.২৭ ২৮.১৮
(খ) টিএসপি ৪.২০ ৪.৩৬ ৩.৪০ ৪.৭৬
(গ) ডিএপি ১.৭১ ১.৩০ ১.১৫ ২.৫০
(ঘ) এমওপি ২.৬০ ২.৯১ ২.৩০ ৪.০০
৩। ইউরিয়া সারের চাহিদার বিভাজন (২০০৭-০৮)
৬৪ টি জেলার চাহিদা ২৬ লক্ষ ৬৮ হাজার মে.টন, প্রাতিষ্ঠানিক চাহিদা ৭৫ হাজার মে. টন এবং আপদকালীন চাহিদা ৭৫ হাজার মে.টন, সর্বমোট ২৮ লক্ষ ১৮ হাজার মে. টন।
৪। ইউরিয়া আমদানী ও উৎপাদন লক্ষমাত্রা (২০০৭-০৮):
বিসিআইসির কারখানা সমূহের উৎপাদন ১৫.০০ লক্ষ মে.টন, কাফকো থেকে ৪.৫০ লক্ষ মে.টন এবং বহির্বিশ্ব থেকে ৯.০০ লক্ষ মে.টন ।
৫। ইউরিয়া সারের চাহিদা, সরবরাহ ও মজুদ পরিস্থিতির তুলনামূলক অবস্থান (২৭ অক্টোবর তারিখে)
(মেঃ টন)
নং বিবরণ ২০০৭ ২০০৬
১। প্রারম্ভিক মজুদ(১জুলাই/০৭) ৪,১৫,৮২৬ ৩,১২,০০০
২। কাফকো থেকে আমদানী ১,৩৫,০৮০ ৬৫,৭৯২
৩। বহিবির্শ্ব থেকে আমদানী ১,৯৩,৫৩৩ ১,২৯,৯৯৩
৪। দেশে উৎপাদন ৪,৪৯,৭৮২ ৫,৪৫,৬৪৫
৫। সর্বমোট প্রাপ্যতা ১১,৯৮,২২১ ১০,৫৩,৪৩০
৬। জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত চাহিদা ৭,৬৪,৪৪৯ ৭,৪০,১০৫
৭। এ যাবৎ সরবরাহ ৭,৭১,৬৯৭ ৭,৬৭,৬৯০
৮। ২৭ অক্টোবর তারিখে মজুদ স্থিতি ৪,২২,৫২৪ ২,৮০,৫৮৫
৬। সার ব্যবস্থাপনায় গৃহীত অতিরিক্ত পদক্ষেপ
♦AvMó মাসে ১৩ টি জেলায় ১৬,৪০০ মে.টন, ‡m‡Þ¤^‡i ১৫ টি জেলায় মোট ১৭,৪৯১ মে.টন সার এবং অক্টোবর মাসে ৪ টি জেলায় ১,৮০০ মে.টন সার প্রক্ষেপনের অতিরিক্ত অগ্রিম প্রদান করা হয়।
♦A‡±vei মাসে ৭টি জেলার উদ্বৃত্ত সার অপর সাতটি জেলায় অতিরিক্ত বরাদ্দ হিসেবে তাৎক্ষণিকভাবে ৭২৮২ মে.টন সার সমন্বয় করা হয়।
♦cÖ‡qvR‡b শিল্প ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের অনুমদিত চাহিদার ভিত্তিতে অতিরিক্ত সার সরবরাহ করা হয়।
♦mvßvwnK ছুটির দিনগুলিতে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা সরেজমিনে মাঠ পরিস্থিতি মনিটরিং করেছে।
♦Pvwn`v ব্যবস্থাপনার সুবিধার্থে নোয়াখালী, কুমিল্লা, পটুয়াখালী, ময়মনসিংহ, কুষ্টিয়া, টাঙ্গাইল জেলায় বাফার গুদাম স্থাপন হচ্ছে। এ ৬ টি গুদাম বর্তমানের ২১ টি বাফার গুদামের অতিরিক্ত।
♦cÖ‡qvR‡b জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটি জেলার ভিতরে উপজেলার মধ্যে সার সরবরাহ সমন্বয় করতে পারে।
৭। মনিটরিং সেলঃ
♦ কৃষি মন্ত্রণালয়ে জানুয়ারী/২০০৭ মাস হতে ইউরিয়া সারের সুষ্ঠু বিতরণ ও সরবরাহের তদারকির জন্য একটি মনিটরিং সেল খোলা হয়েছে। শিল্প মন্ত্রণালয়েও অনুরুপ একটি সেল কাজ করছে।
♦ কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব পর্যায়ের কর্মকর্তা সহ মোট ২২ জন কর্মকর্তা ৬৪ টি জেলার মনিটরিংয়ের দায়িত্ব পালন করছেন এবং প্রতিদিন সকল জেলা প্রশাসকের সাথে যোগাযোগ করে তথ্য সংগ্রহ করেন। এ তথ্য মনিটরিং কক্ষ থেকে প্রকাশিত দৈনিক প্রতিবেদনে প্রতিফলিত হয়।
♦ মন্ত্রণালয়ের ওয়েব সাইটে (www.moa.gov.bd) সার সরবরাহ, জেলাওয়ারী মজুদের স্থিতি এবং ট্রানজিটে সারের পরিমাণ দৈনিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।
♦ প্রাপ্ত তথ্যাদি তাৎক্ষণিকভাবে মনিটরিং সেলে স্থাপিত বোর্ডে জেলাওয়ারী ভিত্তিতে প্রদর্শন করা হয়।
♦ কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ীতে আরও একটি মনিটরিং কক্ষ খুলে সার্বক্ষণিকভাবে সার বিতরণ কার্যত মনিটরিং করছে এবং বিসিআইসিতেও একটি মনিটরিং সেল কাজ করছে।
৮। ইউরিয়া সারের উৎপাদন, বিμয় ও ভর্তুকি মূল্যঃ
(ক) স্থানীয় উৎপদিত প্রতি টনে ৫০ কেজির বস্তা প্রতি কেজি
উৎপাদান খরচ ৭,২০০ টাকা ৩৬০ টাকা ৭.২০ টাকা
বিμয় মূল্য ৪,৮০০ টাকা ২৪০ টাকা ৪.৮০ টাকা
ভর্তুকির পরিমাণ ২,৪০০ টাকা ১২০ টাকা ২.৪০ টাকা
(খ) আমদানিকৃত
আমদানি খরচ ৩১,০০০ টাকা ১৫৫০ টাকা ৩১.০০ টাকা বিμয় মূল্য ৫,৩০০ টাকা ২৬৫ টাকা ৫.৩০ টাকা
ভর্তুকির পরিমাণ ২৫,৭০০ টাকা ১২৮৫ টাকা ২৫.৭০ টাকা
৯। ২০০৭-০৮ অর্থবছরে প্রাক্কলিত ট্রেড গ্যাপ/ ভতুর্কির পরিমাণঃ
(ক) ইউরিয়া ৩,১২০ কোটি টাকা
(খ) টিএসপি, ডিএপি ও এমওপি ৪৮৬ কোটি টাকা
সর্বমোটঃ ৩৬০৬ কোটি টাকা
১০। বেসরকারীখাতে টিএসপি ও এমওপি সারের আমদানী লক্ষ্যমাত্রা ও মজুদ পরিস্থিতিঃ
টিএসপি এমওপি
(ক) প্রারম্ভিক মজুদ : ৫৪,৭৪০ মে.টন ১৮০৬০ মে.টন
(মজুদ যাচাইয়ের পর)
(খ) এ পর্যন্ত আমদানীঃ ৩৯,০৯৩ মে.টন ১,২৯,৫৩৬ মে.টন
মোটঃ ৯৩,৮৩৩ মে.টন ১,৪৭,৫৯৬ মে.টন
(গ) ২০০৭-০৮ এ আমদানী লক্ষ্যমাত্রা ২,৬০,০০০ মে.টন ৩,০০,০০০ মে.টন
এখন সারের চাহিদা পিকের তুলানায় কম এবং মজুদও প্রয়োজনের তুলনায় বেশী আছে। আসনড়ব পিক মৌসুমে সার মজুদ ও বিতরণ বিষয়ে কৃষি মন্ত্রণালয় প্রতি সপ্তাহে প্রেস ব্রিফিং এর ব্যবস্থা করবে। সারের জেলাওয়ারী চাহিদা, সরবরাহ ও বিতরণ সংক্রান্ত প্রতিবেদন (৩১/১০/২০০৭ তারিখের) এ সাথে সংযোজন করা হলো।
* ০১-১১-২০০৭ তারিখ পর্যন্ত হালনাগাদ